07.02.2024 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


মিষ্টি বাচ্চারা - আত্ম-অভিমান বিশ্বের মালিক বানায়, আর দেহ-অভিমান কাঙাল বানিয়ে দেয়। তাই আত্ম-অভিমানী হও

প্রশ্নঃ -
কোন্ অভ্যাস অশরীরী হওয়ার জন্য খুব সাহায্য করে?

উত্তরঃ  
নিজেকে সর্বদা অ্যাক্টর মনে করো। অ্যাক্টর যেমন অভিনয় করা হয়ে গেলেই তার ড্রেস খুলে ফেলে, তোমাদেরকেও সেইরকম অভ্যাস করতে হবে। কর্ম করা হয়ে গেলেই পুরাতন বস্ত্র (শরীর) ত্যাগ করে অশরীরী হয়ে যাও। আত্মারা সকলে ভাই-ভাই। এইরকম অভ্যাস করতে থাকো। এটাই হলো পবিত্র হওয়ার সহজ উপায়। শরীরকে দেখলেই ক্রিমিনাল চিন্তা ভাবনা চলতে থাকে । তাই অশরীরী হয়ে যাও।

ওম্ শান্তি ।
বাবা বসে বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন কারণ তারা অবুঝ হয়ে গেছে । ৫ হাজার বছর আগেও বাবা বাচ্চাদেরকে বুঝিয়েছিলেন এবং দিব্য কর্ম শিখিয়েছিলেন। তোমরা দেবী দেবতা ধর্মে এসেছিলে এবং ড্রামার প্ল্যান অনুসারে পুনর্জন্ম নিতে নিতে কলা ক্রমশঃ হ্রাস পেয়েছে আর এখন তোমরা বাস্তবিকই কলাহীন হয়ে গেছো। এটা তো আসলে তমোপ্রধান রাবণ-রাজ্য। এই রাবণ রাজ্যটাই আগে সতোপ্রধান ছিল। পরে ক্রমশঃ সতঃ, রজঃ এবং তমঃ অবস্থা প্রাপ্ত করেছে। এখন তো একেবারে তমোপ্রধান হয়ে গেছে। এবার এর বিনাশ হবে। রাবণ রাজ্যকেই আসুরী রাজ্য বলা হয়। ভারতেই রাবণকে পোড়ানোর ফ্যাশন রয়েছে। ভারতবাসীরাই বলে রামরাজ্য আর রাবণরাজ্য। রামরাজ্য তো সত্যযুগেই হয়। রাবণরাজ্য কলিযুগে হয়। এটা অত্যন্ত বোঝার বিষয়। বাবার ওয়ান্ডার লাগে যে ভালো ভালো বাচ্চারা পুরোপুরি ভাবে না বোঝার কারণে নিজের ভাগ্যকেই সমাপ্তির রেখা টেনে দেয়। রাবণের অবগুণের বশীভূত হয়ে যায়। যদিও সে নিজের মুখেই দিব্যগুণের কথা বলে। বাবা বুঝিয়েছেন, তোমরাই এইরকম দেবী দেবতা ছিলে। তোমরাই ৮৪ জন্ম ভোগ করেছ। তোমরা কেন তমোপ্রধান হয়ে গেছো সেটাও বোঝানো হয়েছে। এটা হলো রাবণ রাজ্য। রাবণ হল সবথেকে বড়ো শত্রু। সে-ই ভারতকে এত কাঙাল এবং তমোপ্রধান বানিয়েছে। রাম রাজ্যে এত লোক থাকে না। ওখানে তো একটাই ধর্ম থাকবে। এখানে সবার মধ্যেই ভূত রয়েছে। ক্রোধ, লোভ এবং মোহরূপী ভূত তো আছেই। মানুষ এটাই ভুলে যায় যে আমি অবিনাশী আর এই শরীরটা বিনাশী। তাই কেউই আত্ম-অভিমানী হতে পারে না। অনেক দেহ অভিমান রয়েছে। দেহ অভিমান আর আত্ম অভিমানের মধ্যে দিন-রাতের পার্থক্য। আত্ম-অভিমানী দেবী-দেবতারা সমগ্র বিশ্বের মালিক হয়ে যায়। আর তারপরে দেহ অভিমানের বশীভূত হয়ে কাঙাল হয়ে যায়। ভারত সোনার চড়ুই পাখি ছিল। মানুষ এ'কথা বলে, কিন্তু কেউই বোঝে না। শিববাবা দিব্য বুদ্ধি বানানোর জন্য আসেন। বাবা বলছেন - মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চারা, আমি তোমাদেরকে বিশ্বের মালিক বানাই। এই লক্ষ্মী-নারায়ণ বিশ্বের মালিক ছিলেন। কখনো কি শুনেছো যে এদেরকে এই রাজত্ব কে দিয়েছিলেন? ওনারা এমন কোন্ কর্ম করেছিলেন, যার জন্য এত উঁচু পদ পেয়েছিলেন? কর্মের ওপরেই তো নির্ভর করে, তাই না ? মানুষ আসুরীক কর্ম করে বলে সেইসব কর্ম বিকর্ম হয়ে যায়। সত্যযুগে সকল কর্ম অকর্ম হয়ে যায়। ওখানে কোনো কর্মের হিসাব তৈরি হয় না। বাবা এইসব বোঝাচ্ছেন কিন্তু অনেকে কিছু না বুঝতে পেরে অনেক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। বলে দেয় যে শিব আর শংকর অভিন্ন। আরে, নিরাকার শিবকে তো একাই দেখানো হয়। আর শঙ্করকে পার্বতীর সাথে দেখানো হয়। এই দুজনের কর্তব্য একেবারে আলাদা। মিনিস্টার আর প্রেসিডেন্টকে কি এক বলা যাবে? দুইজনের পদ একেবারেই আলাদা। তাহলে কিভাবে শিব-শঙ্করকে এক বলা যাবে? তবে এটাও জানা আছে যে, যারা রাম সম্প্রদায়ে আসবে না, তারা বুঝবেও না। আসুরীক সম্প্রদায় তো কেবল গালি দেবে, বিঘ্ন সৃষ্টি করবে, কারণ তাদের মধ্যে পাঁচ বিকার রয়েছে। দেবতারা হলেন সম্পূর্ণ নির্বিকারী। তারা কত উঁচু পদের অধিকারী। এখন তোমরা বুঝতে পারো যে আমরা কত বিকারগ্রস্ত ছিলাম। বিকারের দ্বারাই জন্ম হয়। সন্ন্যাসীদেরকেও বিকারের দ্বারাই জন্ম নিতে হয়। পরে তারা সন্ন্যাস গ্রহণ করে। সত্যযুগে এইরকম হয় না। সন্ন্যাসীরা সত্যযুগের কথা বুঝতেও পারে না। বলে দেয় যে সত্যযুগ তো সর্বদাই রয়েছে। যেভাবে বলে যে কৃষ্ণ কিংবা রাধাকে ডাকলেই হাজির হয়ে যায়। অনেক ধর্ম, অনেক মত পার্থক্য রয়েছে। অর্ধেক কল্প ধরে দৈবী মত প্রচলিত থাকে। এখন তোমরা সেই মত প্রাপ্ত করছো। তোমরাই হলে ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী। এরপর তোমরাই বিষ্ণু বংশী এবং চন্দ্র বংশী হবে। ওই দুটিকে সাম্রাজ্য বলা হবে, কিন্তু এটাকে ব্রাহ্মণ বংশ বলা হবে। এটাকে সাম্রাজ্য বলা যাবে না। এনার রাজত্ব স্থাপন হয় না। তোমরাই এইগুলো বুঝতে পারো। তোমাদের মধ্যেও আবার কেউ কেউ বুঝতে পারে। কেউ কেউ একেবারেই শোধরায় না। কোনো না কোনো ভূত রয়েছে। যেমন - লোভের ভূত, ক্রোধের ভূত। সত্যযুগে এইরকম কোনো ভূত থাকে না। সত্যযুগে দেবী-দেবতারা ছিলেন। তারা খুবই সুখী ছিলেন। এইসব ভূতগুলোই দুঃখ দেয়। কাম বিকারের ভূত আদি-মধ্য-অন্ত দুঃখ দিয়ে এসেছে। একে পরাজিত করার জন্য পরিশ্রম করতে হবে, এটা মোটেই সহজ বিষয় নয়। বাবা বলেন, ভাই-বোন মনে করলে ক্রিমিনাল দৃষ্টি যাবে না। প্রত্যেক ব্যাপারে সাহস থাকতে হবে। কেউ বলে দেয় যে বিয়ে না করলে ঘর থেকে বেরিয়ে যাও। এইরকম ক্ষেত্রে সাহস অবলম্বন করতে হবে। নিজেকেও চেক করতে হবে। বাচ্চারা, তোমরা কোটি কোটি গুন সৌভাগ্যবান হচ্ছো। এইসব বিনাশ হয়ে যাবে। সবকিছু মাটিতে মিশে যাবে। কেউ কেউ সাহস করে চলতে শুরু করে দেয়। আবার অনেকে সাহস করে, কিন্তু পরে ফেল হয়ে যায়। বাবা প্রতিটা বিষয় ভালোভাবে বোঝাচ্ছেন। কিন্তু শ্রীমৎ পালন না করলে বোঝা যায় যে তার পুরোপুরি যোগ লাগে না। ভারতের প্রাচীন রাজযোগ সুপ্রসিদ্ধ। এই যোগের দ্বারাই তোমরা বিশ্বের মালিক হয়ে যাও। পড়া হলো সোর্স অফ ইনকাম। পড়ার দ্বারাই তোমরা ক্রমানুসারে উঁচু পদ পাও। ভাই-বোনের সম্বন্ধেও বুদ্ধি চঞ্চল হতে পারে। তাই বাবা এর থেকেও উঁচুতে নিয়ে যান। নিজেকে আত্মা অনুভব করো এবং অন্যকেও আত্মা অর্থাৎ ভাই রূপে দেখো। সবাইকে ভাই রূপে দেখলে অন্য কোনো দৃষ্টি যাবে না। শরীরকে দেখলে ক্রিমিনাল চিন্তা ভাবনা আসে। বাবা বলেন - বাচ্চারা, তোমরা অশরীরী হও, দেহী-অভিমানী হও। নিজেকে আত্মা রূপে অনুভব করো। আত্মা হলো অবিনাশী। শরীরের দ্বারা ভূমিকা পালন করা হয়ে গেলে, শরীর থেকে আলাদা হয়ে যেতে হবে। দুনিয়ার অ্যাক্টররাও তাদের পার্ট হয়ে গেলে ড্রেস চেঞ্জ করে ফেলে। তোমাদেরকেও এখন এই পুরাতন কাপড় (শরীর) পরিবর্তন করে নুতন কাপড় পরতে হবে। এখন তো আত্মা এবং শরীর দুটোই তমোপ্রধান হয়ে গেছে। তমোপ্রধান আত্মারা মুক্তিতে যেতে পারবে না। পবিত্র হলে তবেই যেতে পারবে। অপবিত্র আত্মারা ফিরতে পারবে না। যারা বলে যে অমুক ব্যক্তি ব্রহ্মে লীন হয়ে গেছেন, তারা সবাই মিথ্যা কথা বলে। একজনও যেতে পারবে না। ওখানে বৃক্ষের মতো রয়েছে। সবাই ঐভাবেই থাকে। তোমরা ব্রাহ্মণ বাচ্চারাই এইসব জানো। গীতাতে কোথাও ব্রাহ্মণদের নাম লেখা নেই। যেহেতু আমি প্রজাপিতা ব্রহ্মার শরীরে প্রবেশ করি, তাই অবশ্যই তাকে দত্তক নিতে হবে। জাগতিক ব্রাহ্মণরা তো বিকারগ্রস্ত, তোমরা হলে নির্বিকারী। নির্বিকারী হওয়ার জন্য অনেক অত্যাচারও সহ্য করতে হবে। নাম-রূপ দেখে অনেকের মনেই বিকারী সংকল্প আসে। ভাই বোনের সম্বন্ধ হওয়া সত্ত্বেও পতন হয়ে যায়। তখন তারা পত্র লেখে - বাবা, আমার পতন হয়েছে, আমি মুখ পুড়িয়েছি। বাবা বলেন, আমি তো ভাই-বোন হয়ে থাকতে বলেছিলাম আর তুমি এইরকম খারাপ কাজ করলে! এরজন্য খুব কঠোর শাস্তি প্রাপ্ত হয়। এমনিতেও, যদি কেউ কারোর ক্ষতি করে, তবে তাকে জেলে ঢোকানো হয়। যেটা আমি স্থাপন করেছিলাম, সেই ভারত কতই না পবিত্র ছিল। তার নামই হলো শিবালয়। এই জ্ঞানও কারোর মধ্যে নেই। যেসব শাস্ত্রগুলো রয়েছে, সেগুলো কেবল ভক্তিমার্গের সামগ্রী। সত্যযুগে সবাই সদগতিতে থাকবে, তাই ওখানে কোনো পুরুষার্থ করতে হয় না। এখানে সবাই দুর্গতিতে রয়েছে। তাই গতি এবং সদগতি প্ৰাপ্তির জন্য পুরুষার্থ করে। গঙ্গাস্নান করতে যায়। কিন্তু গঙ্গার জল কি সদ্গতি দিতে পারবে? সে কি পবিত্র বানাতে পারবে? কিছুই জানে না। তোমাদের মধ্যেও বিভিন্ন ক্রম রয়েছে। কেউ তো নিজেই কিছু বোঝে না। তাই সে অন্যকে কিভাবে বোঝাবে? তাই বাবা তাদেরকে পাঠান না। মানুষ গীত গায় - বাবা, তুমি যখন আসবে, আমি তোমার শ্রীমৎ অনুসারে চলে দেবতা হবো। দেবতারা সত্যযুগ এবং ত্রেতাযুগে থাকে। এখানে তো অধিকাংশই কাম বিকারে ফেঁসে আছে। কাম বিকার ছাড়া থাকতেই পারে না। এই বিকার অনেকটা মাতা-পিতার উত্তরাধিকারের মতো। এখানে তোমরা রামের উত্তরাধিকার লাভ করছো। পবিত্রতার উত্তরাধিকার পাচ্ছো। ওখানে অপবিত্রতার কোনো ব্যাপারই নেই।

ভক্তরা বলে কৃষ্ণ হলো ভগবান। তোমরা দেখাও যে তিনি ৮৪ বার জন্ম গ্রহণ করেন। আরে, ভগবান তো নিরাকার। ওনার নাম হলো শিব। বাবা কতই না ভালো ভাবে বোঝান। করুণাও হয়। তিনি তো দয়াময়, তাই না? ইনি খুবই ভালো এবং বুদ্ধিমান বাচ্চা। এনার মধ্যে একটা আকর্ষক ব্যাপার রয়েছে। যার মধ্যে জ্ঞান এবং যোগের শক্তি বেশি থাকবে সে অন্যদেরকে আকৃষ্ট করবে। যে অনেক লেখা-পড়া জানে, তার জন্য ভালো বন্দোবস্ত হয়। যে লেখা পড়া জানে না, তার জন্য অত ভালো বন্দোবস্ত হয় না। এটা তো জানো যে এখন সকলেই হলো আসুরীক সম্প্রদায়। কিছুই বুঝতে পারে না। শিব আর শঙ্করের পার্থক্য তো একেবারে ক্লিয়ার। ওটা হলো মূলবতন, আর এটা হল সূক্ষ্মবতন। সবকিছু একই হবে কিভাবে? এটা হলো তমোপ্রধান দুনিয়া। এই আসুরিক সম্প্রদায়ে সবথেকে বড়ো শত্রু হলো রাবণ। সে সবাইকে নিজের মতো বানিয়ে দেয়। বাবা এখন তোমাদেরকে নিজের সমান অর্থাৎ দৈবী সম্প্রদায় বানাচ্ছেন। ওখানে রাবণ থাকবে না। অর্ধেক কল্প ধরে তাকে পোড়ানো হয়। রামরাজ্য সত্যযুগেই হয়। গান্ধীজিও রামরাজ্য চাইতেন। কিন্তু এখানে কিভাবে সেই রামরাজ্য স্থাপন করা সম্ভব? ওরা তো কেউ আত্ম-অভিমানী হওয়ার শিক্ষা দিতেন না। কেবল সঙ্গমযুগেই বাবা এসে বলেন - আত্ম-অভিমানী হও। এটা হলো উত্তম হওয়ার যুগ। বাবা কতই না ভালোবাসা সহকারে বোঝান। প্রত্যেক মুহূর্তে অনেক ভালোবাসার সাথে বাবাকে স্মরণ করতে হবে - বাবা, তুমি তো কামাল করে দিয়েছো। আমরা কত পাথর বুদ্ধি সম্পন্ন ছিলাম আর তুমি সেই আমাদেরকেই কত উঁচু বানিয়ে দিচ্ছো। তোমার শ্রীমৎ ছাড়া আর কারোর মৎ অনুসরণ করবো না। অন্তিমে সবাই বলবে যে ব্রহ্মাকুমারীরা দৈবী মৎ অনুসারেই চলে। কত ভালো ভালো কথা শোনায়, সৃষ্টির আদি-মধ্য-অন্তের পরিচয় দেয়, ক্যারেক্টার সংশোধন করে। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) দৃষ্টিকে শুদ্ধ করার জন্য কারোর নাম-রূপকে না দেখে অশরীরী হওয়ার অভ্যাস করতে হবে। নিজেকে আত্মা অনুভব করে, আত্মারূপী ভাইয়ের সাথে কথা বলতে হবে।

২ ) সকলের কাছে সম্মান পাওয়ার জন্য জ্ঞান-যোগের শক্তি ধারণ করতে হবে। দিব্যগুণে সম্পন্ন হতে হবে। ক্যারেক্টার সংশোধন করার সেবা করতে হবে।

বরদান:-
অসুস্থ কনশাস-এর পরিবর্তে খুশী মনে হিসেব-নিকেশ পরিশোধকারী সোল কনশাস ভব

তন তো সকলেরই পুরানো। প্রত্যেকেরই কোনও না কোনও ছোট বড় অসুখ আছে। কিন্তু তনের প্রভাব যদি মনের উপরে এসে যায় তাহলে ডবল অসুস্থ হয়ে অসুস্থ কনশাসে চলে আসবে। সেইজন্য মনের মধ্যে কখনও অসুস্থতার সংকল্প যেন না আসে, তখন বলা হবে সোল কনশাস। অসুস্থ হয়ে কখনও ঘাবড়ে যেও না। অল্প একটু ওষুধ রূপী ফ্রুট খেয়ে তাকে বিদায় দাও। খুশী মনে হিসেব-নিকেশ পরিশোধ করো।

স্লোগান:-
প্রতিটি গুণ, প্রতিটি শক্তির অনুভব করা অর্থাৎ অনুভবী মূর্তি হওয়া।