06.01.2026
প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন
"মিষ্টি বাচ্চারা -
ব্রহ্মা বাবা হলেন শিববাবার রথ, দুজনের একত্রিত পার্ট চলে, এতে এতটুকুও সংশয় আসা
উচিত নয়"
প্রশ্নঃ -
মানুষ দুঃখ
থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য কোন্ যুক্তি রচনা করে, যাকে মহাপাপ বলা হয়?
উত্তরঃ
মানুষ যখন
দুঃখী হয়, তখন নিজেকে শেষ (হত্যা) করার অনেক উপায় রচনা করে । জীবঘাত করার চিন্তা
করে, তারা মনে করে, এতে আমরা দুঃখ থেকে মুক্ত হয়ে যাবো। কিন্তু এর মতো মহাপাপ আর
কিছুই নেই । তারা আরো দুঃখে জড়িয়ে যায়, কেননা এটা হলোই অপার দুঃখের দুনিয়া ।
ওম্ শান্তি ।
বাচ্চাদের বাবা
জিজ্ঞেস করেন, আত্মাদের পরমাত্মা জিজ্ঞেস করেন - তোমরা এ কথা তো জানো যে, আমরা
পরমপিতা পরমাত্মার সামনে বসে আছি । তাঁর তো নিজের কোনো রথ নেই । এ তো নিশ্চিত, তাই
না - এনার ভ্রুকুটির মাঝে বাবার নিবাস স্থান । বাবা নিজেই বলেন - এনার ভ্রুকুটির
মাঝে আমি বসি, আমি এনার শরীর ধার হিসাবে নিই । আত্মা ভ্রুকুটির মাঝে থাকে, তাই
বাবাও ওখানেই বসেন । ব্রহ্মা যখন আছে, তখন শিববাবাও আছে । ব্রহ্মা না থাকলে শিববাবা
কিভাবে বলবেন? শিববাবাকে তো উপরে সর্বদা স্মরণ করেই এসেছে । বাচ্চারা, এখন তোমরা
জানো যে, আমরা এখানে বাবার কাছে বসে আছি । এমন নয় যে, শিববাবা উপরে আছেন, তাঁর
প্রতিমা এখানে পুজো করা হয় । এ খুবই বোঝার মতো কথা । তোমরা তো জানো যে, বাবা হলেন
জ্ঞানের সাগর । তিনি এই জ্ঞান কোথা থেকে শোনান? তিনি কি উপর থেকে শোনান? তিনি এখানে,
নীচে এসেছেন । তিনি ব্রহ্মা তনের দ্বারা শোনান । কেউ কেউ বলে, আমরা ব্রহ্মাকে মানি
না, কিন্তু শিববাবা নিজেই ব্রহ্মা তনের দ্বারা বলেন যে, তোমরা আমাকে স্মরণ করো । এ
তো বোঝার মতো কথা, তাই না । মায়া কিন্তু খুবই জোরদার । মায়া একদম মুখ ঘুরিয়ে পিছনে
ফেলে দেয় । শিববাবা এখন তোমাদের কাঁধ সামনে করে দিয়েছেন । তোমরা সামনে বসে আছো,
তারপর যদি কেউ মনে করে যে, ব্রহ্মা তো কিছুই নয়, তার তখন কি গতি হবে ! সে দুর্গতি
প্রাপ্ত হয় । মানুষের কিছুই জ্ঞান নেই । মানুষ ডাকতেও থাকে, ও গড ফাদার । তখন কি
সেই গড ফাদার শুনতে পান? তাঁকে তো বলা হয়, হে উদ্ধারকর্তা, তুমি এসো, নাকি তিনি
ওখানে বসে উদ্ধার করবেন ? কল্পে - কল্পে বাবা এই পুরুষোত্তম সঙ্গম যুগেই আসেন, তিনি
যাঁর মধ্যে আসেন, তাঁকেই যদি স্বীকার করা না হয়, তাহলে কি বলা হবে ! নম্বর ওয়ান
তমোপ্রধান । নিশ্চয় থাকা সত্ত্বেও মায়া একদম মুখ ঘুরিয়ে দেয় । মায়ার এতটাই শক্তি যে
একেবারে পাই পয়সার করে দেয় । কোনো না কোনো সেন্টারে এমনও আছে, বাবা তাই বলেন, তোমরা
সাবধান থেকো । যদিও কেউ এই শোনা কথা অন্যকে শোনায়ও, তারা যেন তখন পণ্ডিতের মতো হয়ে
যায় । বাবা যেমন পণ্ডিতের কাহিনী বলেন, তাই না । সে বলেছিলো, রাম - রাম বললে সাগর
পার হয়ে যাবে । এই কাহিনীও বানানো আছে । এই সময় তোমরা তো বাবার স্মরণে বিষয় সাগর
থেকে ক্ষীর সাগরে যাও, তাই না । ভক্তিমার্গে ওরা অনেক ধর্ম কথা - কাহিনী বানিয়ে
দিয়েছে । এমন কিছু তো হয় না । এ এক কাহিনী বানানো হয়েছে । পণ্ডিতরা অন্যদের বলে,
অথচ নিজেরা কিছুই করে না । নিজেরা বিকারে যায় অথচ অন্যদের বলে, নির্বিকারী হও, এর
কি প্রভাব হবে ! এমন ব্রহ্মাকুমার - কুমারীও আছে - তাদের নিজেদের নিশ্চয় নেই, অথচ
অন্যদের শোনাতে থাকে, তাই কোথাও কোথাও যারা শোনায়, তাদের থেকেও যারা শোনে তারা
তীক্ষ্ণ গতিতে এগিয়ে যায় । যে অনেকের সেবা করে, সে তো সকলের প্রিয়ই হবে, তাই না ।
পণ্ডিত যদি মিথ্যাবাদী হয়, তাহলে তাকে কে শ্রদ্ধা করবে? তখন ভালোবাসা তার প্রতি চলে
যাবে যে প্রত্যক্ষভাবে স্মরণ করে । খুব ভালো ভালো মহারথীদেরও মায়া গিলে ফেলে । এমন
অনেককেই মায়া গিলে ফেলেছে । বাবাও তা বুঝিয়ে বলেন, তবুও এখনো কর্মাতীত অবস্থা হয়
নি । একদিকে লড়াই হবে, অন্যদিকে কর্মাতীত অবস্থা হবে । এ হলো সম্পূর্ণ কানেকশন ।
তারপর লড়াই সম্পূর্ণ হয়ে গেলে ট্রান্সফার হয়ে যাবে । প্রথমে রুদ্র মালা তৈরী হয় ।
এই কথা আর কেউই জানে না । তোমরা বুঝতে পারো যে, বিনাশ সামনে উপস্থিত । তোমরা এখন হলে
স্বল্পসংখ্যক । ওরা বেশী । তাহলে তোমাদের কে মানবে । তোমাদের যখন বৃদ্ধি হয়ে যাবে
তখন তোমাদের যোগবলের দ্বারা অনেকেই আকৃষ্ট হয়ে আসবে । তোমাদের জং যতো দূর হতে থাকবে,
ততই শক্তি ভরতে থাকবে । এমন নয় যে বাবা অন্তর্যামী । তিনি এখানে এসে সবাইকে দেখেন,
সকলের অবস্থাকেই জানেন । বাবা কি বাচ্চাদের অবস্থাকে জানতে পারবেন না? তিনি সবকিছুই
জানেন । এতে অন্তর্যামীর কোনো কথা নেই । এখন তো কর্মাতীত অবস্থা হয় নি । আসুরী
কথাবার্তা, চলন আদি সব প্রসিদ্ধ হয়ে যায় । তোমাদের তো দৈবী চলন তৈরী করতে হবে ।
দেবতারা তো সর্বগুণ সম্পন্ন, তাই না । তোমাদের এখন এমন হতে হবে । কোথায় অসুর, আর
কোথায় দেবতারা ! মায়া কিন্তু কাউকেই ছাড়ে না, স্পর্শকাতর বানিয়ে দেয় । মায়া একদম
মেরে ফেলে । পাঁচ সিঁড়ি তো আছে, তাই না । দেহ বোধ এলেই একদম উপর থেকে নীচে নেমে যায়
। নীচে পড়ে গেলো আর মৃত্যু হলো । আজকাল নিজেদের হত্যা করার জন্য কোনো উপায় বের করে
। ২১ তলা থেকে লাফ দেয়, তখন একদম শেষ হয়ে যায় । এমন না হলেও কিন্তু হাসপাতালে পরে
থাকে । দুঃখ ভোগ করতে থাকে । পাঁচ তলা থেকে পড়ে গেলো অথচ মারা গেলো না, তাহলে কতো
কষ্ট ভোগ করতে থাকে । কেউ আবার নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় । কেউ যদি তাদের
বাঁচিয়েও দেয়, তাহলে তাদের কতো কষ্ট সহ্য করতে হয় । শরীর জ্বলে গেলে আত্মা তো
বেড়িয়ে যাবে, তাই না । তাই আত্মহত্যা করে নেয়, শরীরকে শেষ করে দেয় । মনে করে যে,
শরীর ত্যাগ করলে দুঃখ থেকে মুক্ত হয়ে যাবে, কিন্তু এও হলো মহাপাপ, এতে আরো বেশী
দুঃখ ভোগ করতে হয়, কেননা এ হলো অপার দুঃখের দুনিয়া, ওখানে হলো অপার সুখ বাচ্চারা,
তোমরা এখন বুঝতে পারো যে, আমরা এখন রিটার্ন হয়ে দুঃখধাম থেকে সুখধামে যাই । তাই এখন
বাবা, যিনি আমাদের সুখধামের মালিক তৈরী করেন, তাঁকে স্মরণ করতে হবে । এনার দ্বারা
বাবা বুঝিয়ে বলেন, চিত্রও তো আছে, তাই না । ব্রহ্মার দ্বারা স্বর্গের স্থাপনা ।
তোমরা বলো যে, বাবা আমরা অনেকবার তোমার থেকে স্বর্গের উত্তরাধিকার নিতে এসেছি । বাবা
এই সঙ্গম যুগেই আসেন, যখন দুনিয়ার পরিবর্তনের সময় হয় । তাই বাবা বলেন - বাচ্চারা,
আমি এসেছি তোমাদের দুঃখ থেকে মুক্ত করে পবিত্র সুখের দুনিয়ায় নিয়ে যেতে । মানুষ
ডাকেও - হে পতিত পাবন, এ তো বুঝতেই পারে না যে, আমরা মহাকালকে ডাকছি, আমাদের পুরানো
ছিঃ - ছিঃ দুনিয়া থেকে ঘরে নিয়ে চলো । তাহলে বাবা অবশ্যই আসবেন । আমাদের মৃত্যু হলে
তখনই তো শান্তি আসবে, তাই না । মানুষ শান্তি - শান্তি করতে থাকে । শান্তি তো আছে
পরমধামে, কিন্তু এই দুনিয়াতে শান্তি কিভাবে হবে - যেখানে এতো মানুষ আছে । সত্যযুগে
সুখ - শান্তি ছিলো । এখন কলিযুগে অনেক ধর্ম । সেই অনেক ধর্মের যখন অবসান হবে তখনই
এক ধর্মের স্থাপনা হবে, তখনই তো সুখ - শান্তি থাকবে, তাই না । হাহাকারের পরেই আবার
জয়জয়াকার হবে । এর পরে দেখো কতো মৃত্যু হয় । বিনাশ তো অবশ্যই হতে হবে । বাবা এসেই
এক ধর্মের স্থাপনা করান । তিনিই রাজযোগ শেখান । বাকি এই যে অনেক ধর্ম, সব শেষ হয়ে
যাবে । গীতাতে কিছুই দেখানো হয় নি । পাঁচ পাণ্ডব আর তাদের সঙ্গে কুকুর যে হিমালয়ে
চলে গেলো, এরপর রেজাল্ট কি হলো? প্রলয় দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে । জলমগ্ন হয় ঠিকই
কিন্তু সম্পূর্ণ দুনিয়া জলমগ্ন হতে পারে না । ভারত তো অবিনাশী পবিত্র খণ্ড । এরমধ্যে
আবু সবথেকে পবিত্র তীর্থস্থান, বাবা যেখানে এসে তোমাদের মতো বাচ্চাদের দ্বারা সকলের
সদগতি করান । দিলওয়ারা মন্দিরে কতো সুন্দর স্মারণিক আছে । কতো সুন্দর অর্থ সহিত
বোঝানো আছে, কিন্তু যারা বানিয়েছে তারা কিছুই জানে না । তবুও তো তারা ভালো বুঝদার
ছিলো । দ্বাপরেও অবশ্যই ভালো বুঝদার হবে । কলিযুগে থাকে তমোপ্রধান । দ্বাপরে তবুও
তমো বুদ্ধির মানুষ থাকে । সব মন্দিরের থেকে এ হলো উচ্চ স্থান, যেখানে তোমরা বসে আছো
।
এখন তোমরা দেখতে থাকবে
যে, এই বিনাশে হোলসেল মৃত্যু হবে । হোলসেল মহাভারী লড়াই শুরু হবে । বাকি এক খণ্ড
থাকবে । ভারত তখন ছোটো হবে, বাকি সবই শেষ হয়ে যাবে । স্বর্গ কতো ছোটো হবে । এখন এই
জ্ঞান তোমাদের বুদ্ধিতে আছে । কারোর আবার বুঝতে সময় লাগে । এ হলো পুরুষোত্তম সঙ্গম
যুগ । এখানে কতো বেশী মানুষ, আর ওখানে কতো কম মানুষ থাকবে, এই সবই শেষ হয়ে যাবে ।
এই ওয়ার্ল্ডের হিস্ট্রি - জিওগ্রাফি শুরু থেকেই আবার রিপিট হবে । অবশ্যই তা স্বর্গ
থেকেই রিপিট হবে । পরের দিক থেকে তো আর আসবে না । এই ড্রামার চক্র অনাদি, যা ঘুরতেই
থাকে । এই দিকে হলো কলিযুগ আর ওইদিকে সত্যযুগ । আমরা এখন সঙ্গম যুগে আছি । এও
তোমরাই বুঝতে পারো । বাবা আসেন, তাঁর তো অবশ্যই রথ চাই, তাই না । তাই বাবা বোঝান,
এখন তোমরা ঘরে ফিরে যাও । এরপর এমন লক্ষ্মী - নারায়ণের মতো হতে হলে দৈবী গুণও ধারণ
করা চাই ।
বাচ্চারা, এও তোমাদের
বোঝানো হয় যে, রাবণ রাজ্য আর রাম রাজ্য কাকে বলা হয় । পতিত থেকে পবিত্র, আবার
পবিত্র থেকে পতিত কিভাবে হয় ! এই খেলার রহস্য বাবা বসে বুঝিয়ে বলেন । বাবা তো
নলেজফুল, তিনি বীজ রূপ, তাই না । তিনি চৈতন্য । তিনি এসেই বোঝান । বাবাই বলবেন,
সম্পূর্ণ কল্পবৃক্ষের রহস্য বুঝেছো? এতে কি কি হয়? তোমরা এখানে কতো অভিনয় করেছো?
অর্ধেক কল্প হলো দৈবী স্বরাজ্য । আর অর্ধেক কল্প হলো আসুরী রাজ্য । খুব ভালো ভালো
বাচ্চাদের বুদ্ধিতে এই জ্ঞান থাকে । বাবা তো নিজের সমান তৈরী করেন, তাই না ।
টিচারদের মধ্যেও নম্বরের ক্রমানুসার হয় । কেউ কেউ তো টিচার হয়েও আবার খারাপ হয়ে
যায় । অনেককে শিখিয়ে তারপর নিজেই শেষ হয়ে যায় । ছোটো ছোটো বাচ্চাদের মধ্যেও
ভিন্ন - ভিন্ন সংস্কার হয় । কাউকে তো দেখো, এক নম্বরের দুষ্টু, আবার কেউ পরীস্থানে
যাওয়ার উপযুক্ত । কেউ আবার না জ্ঞান ধারণ করে, না নিজের চালচলন শুধরায়, সবাইকে
দুঃখই দিতে থাকে । শাস্ত্রে এও দেখানো হয়েছে, অসুর এসে চুপ করে লুকিয়ে বসে যেতো ।
অসুর হয়ে কতো কষ্ট দেয় । এ সব তো হাতেই থাকে । উঁচুর থেকে উঁচু বাবাকেই স্বর্গের
স্থাপনা করতে আসতে হয় । মায়াও খুবই জোরদার । বাবাকে দান করে দেয়, তবুও মায়া বুদ্ধি
ঘুরিয়ে দেয় । অর্ধেককে তো অবশ্যই মায়া গ্রাস করবে, তাই তো বলা হয় মায়া খুবই দুস্তর
। অর্ধেক কল্প ধরে মায়া রাজত্ব করে, তাই তো মায়া এমন পালোয়ান হবে, তাই না । মায়ার
কাছে যারা পরাজিত হয়, তাদের কি অবস্থা হয়ে যায় । আচ্ছা ।
মিষ্টি - মিষ্টি
হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত ।
আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।
ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ )
কখনোই 'লজ্জাবতী লতা' হয়ো না । দৈবী গুণ ধারণ করে নিজেদের আচার আচরণ শুধরাতে হবে ।
২ ) বাবার ভালোবাসা
পাওয়ার জন্য সেবা করতে হবে, কিন্তু যা অন্যকে শোনাও, তা স্বয়ং ধারণ করতে হবে ।
কর্মাতীত অবস্থায় যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ পুরুষার্থ করতে হবে ।
বরদান:-
সাকার
রূপে বাপদাদাকে সম্মুখে অনুভবকারী কম্বাইন্ড রূপধারী ভব
যেরকম শিবশক্তি হলো
কম্বাইন্ড, সেইরকম পাণ্ডবপতি আর পান্ডব কম্বাইন্ড থাকবে। যারা এইরকম কম্বাইন্ড রূপে
থাকে তাদের সামনে বাপদাদা সাকারে সকল সম্বন্ধের সাথে সামনে থাকেন। এখন দিন-দিন আরও
অনুভব করবে যেন বাপদাদা সামনে আছেন, হাত ধরেছেন। বুদ্ধি দ্বারা নয়, চোখ দিয়ে দেখবে,
অনুভব হবে। কিন্তু কেবল এক বাবা, দ্বিতীয় কেউ নয়, এই পাঠ পাক্কা হয়ে গেলে তারপর তো
ছায়া যেমন সাথে সাথে ঘোরে, সেই রকম বাবাও চোখের সামনে থেকে দূরে সরে যাবেন না, সদা
সম্মুখের অনুভূতি হবে।
স্লোগান:-
মায়াজীৎ,
প্রকৃতিজীৎ হওয়া শ্রেষ্ঠ আত্মাই হলো স্ব-কল্যাণী বা বিশ্ব কল্যাণী।
অব্যক্ত ঈশারা :- এই
অব্যক্তি মাসে বন্ধনমুক্ত থেকে জীবন্মুক্ত স্থিতির অনুভব করো
যখন তোমরা জীবন্মুক্ত
হও তো তোমাদের জীবন্মুক্ত স্থিতির প্রভাব জীবন্বন্ধ আত্মাদের বন্ধন সমাপ্ত করবে। তো
সেই ডেট কবে হবে যখন সবাই জীবন্মুক্ত হবে? কোনও বন্ধন থাকবে না। সকল বন্ধনের মধ্যে
প্রথম এক বন্ধন হল - দেহ ভানের বন্ধন, তার থেকে মুক্ত হও। দেহ নেই তো অন্যান্য সকল
বন্ধন সমাপ্ত হয়ে যাবে।